হাজীগঞ্জ উপজেলা শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক শুকুর আলম গাজী ও ছাত্রলীগের ৪ নেতাসহ ৫ জনকে জেলহাজতে পাঠিয়েছেন আদালত।
মঙ্গলবার দুপুরে তারা আদালতে আত্মসমর্পন করলে সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক শামছুন্নাহার তাদের জামিন না মঞ্জুর করে জে*ল*হা*জতে পাঠানোর নির্দেশন দেন।
আসামীরা হলেন, মামলার ১৩নং আসামী পৌর ছাত্রলীগ নেতা ও মকিমাবাদ এলাকার বাসিন্দা মহিন উদ্দিন (২৫),
১৪নং আসামী একই মহল্লার রাসেল প্রকাশ গোদা রাসেল (৩০),
১৫নং আসামী উপজেলা শ্রমিকলীগের সাধারণ সম্পাদক শুকুর আলম গাজী (৪৮),
১৯নং আসামি উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক নুরে ফজলে আদর (২৫), ও
২০নং আসামি (পৌর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান রাব্বির ছোট ভাই) রায়হান কাশারি জাবেদ (২৫)
জানা গেছে, কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে অসহযোগ আন্দোলনে গত ৪ আগস্ট ওই সময়ে পৌর যুবদলের আহবায়ক মিজানুর রহমান সেলিমের ইলেকট্রনিক্স পন্যের শোরুম ও গোডাউন ভাংচুরসহ মালামাল লুটের ঘটনা ঘটে। এতে তিনি প্রায় দেড় কোটি টাকার ক্ষতিগ্রস্ত হন। এই ঘটনায় তিনি হাজীগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন এবং ওই মামলায় উল্লেখিত আসামিদের জামিন না মঞ্জুর করে জেলহাজতে পাঠায় বিচারক।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হাজীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ মহিউদ্দিন ফারুক। তিনি বলেন, মামলার অপর আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহৃত আছে।

